
হার্নিয়া একটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, যেখানে পেটের ভেতরের অংশ পেশির দুর্বল স্থান দিয়ে বাইরে ফুলে ওঠে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এটি জটিল আকার ধারণ করতে পারে। এই লেখায় আমরা হার্নিয়ার সাধারণ লক্ষণ, কারণ এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব।
হার্নিয়ার সাধারণ লক্ষণ
- পেটে বা কুঁচকিতে ফোলাভাব, যা দাঁড়ালে বা কাশলে বৃদ্ধি পায়
- আক্রান্ত স্থানে ভারী অনুভূতি বা টানটান ব্যথা
- শারীরিক কাজ বা ভারী বস্তু বহনে ব্যথা বৃদ্ধি
- শুয়ে থাকলে ফোলাভাব কমে যাওয়া
কেন হার্নিয়া হয়
পেশির দুর্বলতা, দীর্ঘদিন ভারী কাজ, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, স্থূলতা এবং বংশগত কারণে হার্নিয়া হতে পারে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে পেটের প্রাচীরের পেশি দুর্বল হয়ে গেলেও এই সমস্যা দেখা যেতে পারে।
আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি
অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আব্দুল ওহাব খান ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে হার্নিয়ার অপারেশন করেন, যেখানে ছোট ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে মেশ (Mesh) স্থাপন করে হার্নিয়া মেরামত করা হয়। এর ফলে—
- ব্যথা কম হয় ও দাগ প্রায় অদৃশ্য থাকে
- হাসপাতালে থাকার সময় কমে যায়
- দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা যায়
- পুনরায় হার্নিয়া হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
যদি ফোলাভাবের সাথে তীব্র ব্যথা, বমি বমি ভাব বা ফোলা স্থান লালচে হয়ে যায়, তাহলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এটি জটিল (strangulated) হার্নিয়ার লক্ষণ হতে পারে।
মনে রাখবেন: হার্নিয়া নিজে থেকে ভালো হয় না। সঠিক সময়ে সার্জনের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।
সমস্যা অনুভব করছেন?
অধ্যাপক ডাঃ আব্দুল ওহাব খানের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।